কাপ্তাইয়ের নার্সারী ব্যবসায়ের মাধ্যমে ইদ্রিস আলীর সাফল্য

529

॥ মোঃ নূর হোসেন মামুন ॥

পার্বত্য অঞ্চলের মাটি উর্বর হওয়ায় এখানে রয়েছে গাছপালা বেড়ে উঠার অতুলনীয় সুযোগ-সুবিধা। অল্প সময়ের মধ্যে অন্যান্য স্থানের তুলনায় কম সময়ের মধ্যে চারাগাছ পুষ্ঠ হতে সক্ষম এই অঞ্চলে। এই অঞ্চলে বিভিন্ন জাতের ফল-ফলাদি সহ নানা ফলদ চারা রোপন করে সফলতা অর্জনের মাধ্যমে আলোরন সুষ্টি করেছে স্থানীয় অনেকেই।

রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ইউনিয়নস্থ ভাই ভাই নার্সারীর মালিক মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী নার্সারী ব্যবসায়ের মাধ্যমের দাড়–ন সফলতার মুখ দেখছেন বলে জানা যায়। তিনি ‘এই প্রতিনিধি’কে জানায়, নার্সারী ব্যবসায়ের

মাধ্যমে প্রতি বছরে কোটিরও অধিক অর্থ উপার্যনে সক্ষম। নিজের অর্থায়নে তিনি তার ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছেন ২০১১ সালে। ৬ বছরের মাথায় বর্তমানে তার নার্সারীতে ক্রমান্নয়ে একসাথে প্রায় ১০-২০ জনের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ফলদ ঔষুধী চারা, ফলের চারা, ফুলের চারা, বনজ চারা, আমের চারা ও বড়ইয়ের চারা সহ প্রায় ২ হাজারেরও অধিক চারা তার নার্সারীতে নিজস্ব কারিগরের দ্বারা তৈরী করে সুলভ মূল্যে সমগ্র পার্বত্য অঞ্চলে প্রেরণ সহ তৃণমূলের সর্বস্থরে বিক্রয় করে দাড়–ন সফলতার মুখ দেখছেন বলেও জানান তিনি। বিভিন্ন ফলদ মেলায়

তার সকল প্রকারের চারা তিনি সেখানে বিক্রয়ের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের বৃক্ষের চাহিদা পূরণ করে আসছে। এটি শুধু ব্যবসায়ই নয় বরং গাছ নিধনের ফলে পার্বত্য অঞ্চলে সম্প্রতি যে ভূমি ধ্বসের সৃষ্টি হয়েছিল তার সার্পোট হিসেবে কাজ করছে বলেও উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মাদ সামসুল আলম চৌধুরী সুত্রে জানা যায়।