কাপ্তাই হ্রদের ক্ষুদ্র মাছ চাষীদের নিয়ে সেমিনার

466

p...3

স্টাফ রিপোর্টার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, দৈনিক রাঙামাটি : কাপ্তাই হ্রদের বিশাল জল সম্পদকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন পদ্ধতিতে মাছ চাষের মাধ্যেমে এ অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠিকে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করার লক্ষ্যে রাঙামাটি জেলার বিভিন্ন এলাকার অর্ধশত ক্ষুদ্র মৎস্যচাষিকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

এসিআই গোদরেজ এগ্রোভেট প্রাইভেট লিমিটেড, বাংলাদেশ’র উদ্যোগে এবং আদিব এন্টারপ্রাইজ, রাঙামিিট (মাছের খাবার ও ঔষধ সরবরাহকারী) ও রাঙ্গুনিয়া ফিসারিজ, রাঙ্গুনিয়া (পোনা উৎপাদন ও সরবরাহকারী)’র যৌথ আয়োজনে বুধবার বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, রাঙামাটি স্বাদু পানি কেন্দ্র মিলনায়তনে লাভজনক মাছ চাষ ব্যবস্থাপনা শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামটি মৎস্য অধিদপ্তর প্রকল্প পরিচালক মো: আব্দুল হান্নান মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙামাটি মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট’র উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো: আবুল বাশার, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: মনিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জনাব একেএম সাইফুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাঙ্গুনিয়া ফিসারিজ এর স্বত্বাধিকারী প্রনব চৌধুরী। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন এসিআই গোদরেজ এগ্রোভেট প্রাইভেট লিমিটেডের মৎস্য কর্মকর্তা মো: আনোয়ারুল হক। বুধবার সকালে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট কনফারেন্স রুমে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

মূল বক্তব্যে কাপ্তাই লেকে মাছ চাষের বর্তমান কার্যত্রমের অবস্থা তুলে ধরা হয় এবং সম্ভাব্য চাষ পদ্বতির লাগসই ব্যবস্থাপনা শীর্ষক আলোচনা হয়। কাপ্তাই লেকে বর্তমানে স্বল্প পরিসরে পাহাড়ি এলাকাগুলোতে ক্রিক ও পেন পদ্বতিতে মাছ চাষ করা হয় যা বানিজ্যিক ভাবে করলে ব্যাপক ও বিকল্প কর্মসংস্থানের সৃষ্টি, আমিষের চাহিদা পূরণসহ বিশাল জলরাশিকে উৎপাদনশীলতার আওয়াতায় আনা যেত। পেন কালচার ও ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ প্রযুক্তি নিয়েও বিশদ আলোচনা হয়। কাপ্তাই লেকে ভাসমান খাঁচায় মনোসেক্স তেলাপিয়ার চাষ যুব সমাজে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যাপক অবদান রাখবে বলে আশা করা যায়। সেমিনার বর্তমান মাছ চাষি ও নতুন উদ্যোক্তাসহ প্রায় ৫০-৬০ জন খামারী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন আদিব এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো: আল আমিন।

সম্পাদনা- শামীমুল আহসান, ঢাকা ব্যুরোপ্রধান