কাপ্তাই হ্রদের ৬রুটে নৌ চলাচল নির্বিঘ্ন করতে পরিকল্পিত ড্রেজিংয়ের দাবি লঞ্চ মালিকদের

61

॥ আলমগীর মানিক ॥

প্রায় পাঁচ লাখ জনসাধারণের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম কাপ্তাই হ্রদে ৬টি নৌ-পথকে বাদ দিয়ে সমন্বয়হীনভাবে চলমান ড্রেজিং প্রকল্প কোনো কাজে আসবে না মন্তব্য করে কাপ্তাই হ্রদের নৌ-পথগুলোয় সুষ্ঠু নৌ-চলাচলের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট্য স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে পরিকল্পিত ভাবে কাপ্তাই হ্রদ খনন করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থা রাঙামাটি জোনের নেতৃবৃন্দ।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারী) সকালে রাঙামাটির রির্জাভ বাজারে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থা রাঙামাটি জোনের অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন সংস্থা) রাঙামাটি জোনের সভাপতি মইনুদ্দিন সেলিম।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন সংস্থা) রাঙামাটি জোনের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, লঞ্চ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণত সম্পাদক বিশ্বজিত দে, লঞ্চ মালিক আব্দুল গনি, মোঃ আসিফ, মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে কর্মকর্তারা আরো বলেন, বর্তমানে রাঙামাটির প্রশাসনকে না জানিয়ে ঢাকা হতে টেন্ডারের মাধ্যমে মাইনীমুখ হতে মেরুং খাল খনন করা হচ্ছে। এর ফলে খননের পলিমাটি গুলি মুল নদীতে এসে পড়ছে। যদি এই খনন কাজগুলি বিআইডব্লিউটিএ, জেলা প্রশাসন, বিএফডিসি, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ-চলাচল যাত্রী পরিবহন সংস্থার সমন্বয়ে সঠিক পরিকল্পনামাফিক ড্রেজিং করা হতো তাহলে পলিমাটিগুলি নিদিষ্ট স্থানে ফেলার ব্যবস্থা করা যেত।

কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে হ্রদ খনন করার ফলে ৬ উপজেলার নৌ-পথগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এতে কাপ্তাই হ্রদ ভরাট হওয়ার কারণে যে পরিমাণ পানি থাকা প্রয়োজন সে পরিমান হ্রদে পানি না থাকায় কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন, মৎস্য ভান্ডার বিলুপ্তসহ লঞ্চ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

তাই রাঙামাটির ৬টি উপজেলায় যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নৌ-পথকে সচল রাখতে পরিকল্পিত ভাবে সবার সমন্বয়ে কাপ্তাই হ্রদে খান খননের কাজ করার ব্যাপারে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন সংস্থা) রাঙামাটি জোনের কর্মকর্তারা।