জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে রাঙামাটিতে বিট পুলিশিং শুরু

298

॥ আলমগীর মানিক ॥
ভৌগলিক অবস্থানের দিক থেকে ভিন্ন পার্বত্য জেলা রাঙামাটির আপামর জনসাধারণের দৌর গোড়ায় পুলিশী সেবা পৌঁছে দিতে শুরু হয়েছে বিট পুলিশিং সেবা কার্যক্রম। রাঙামাটি জেলা পুলিশের গণমুখী এই কার্যক্রমের ফলে শহর থেকে গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকার যেকোনো সমস্যা কোনো প্রকার হয়রানি ব্যতিত বিট পুলিশিং অফিসারের কাছে জানাতে পারবে এবং প্রয়োজনীয় সেবা ঘরে বসেই পাবেন নাগরিকরা।

শনিবার রাঙামাটির সকল স্তরের নাগরিক প্রতিনিধি, প্রথাগত সমাজের নেতৃবৃন্দসহ গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার আলমগীর কবীর-পিপিএম(সেবা) এ তথ্য জানিয়েছেন। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ছুফি উল্লাহ’র সঞ্চালনায় এই মতবিনিময় সভায় রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ, প্যানেল মেয়র জামাল উদ্দিনসহ জেলার হেডম্যান এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, পৌর কাউন্সিলরগণ, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগণসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ-জনতা সম্পর্কোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য, প্রতিটি নাগরিকের পুলিশের সেবাপ্রাপ্তির নিশ্চয়তা প্রদানের জন্য, পৌরসভা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ও পুলিশের সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদের আদেশ অনুযায়ী এখন থেকে রাঙামাটির প্রতিটা ইউনিয়নের স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধিকে সাথে এই বিট পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনা করবেন ইন্সপেক্টর পদ মর্যাদার একজন পুলিশ কর্মকর্তা। এই বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে প্রত্যন্ত এলাকাতে পুলিশের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে বসে, আলোচনা করে পুলিশের সেবা গতিশীল করা হবে।

মতবিনিময় সভায় প্রবীণ সাংবাদিক, হেডম্যান নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিগণ তাদের বক্তব্যে, বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনী সেবা ঘরে বসেই একজন নাগরিক যেমনিভাবে পাবে; তেমনিভাবে এলাকায়, পাড়া, মহল্লায় সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।