জাতির পিতার ১০২তম জন্মবার্ষিকীতে জীবনের শিশু সমাবেশ ও আনন্দ র‍্যালী

360
৭ মার্চ বুধবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং মুজিব বর্ষের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে এবার উদযাপিত হয়েছে এ দিবসটি। বঙ্গবন্ধুর শততম জন্ম দিবস থেকে শুরু হয় মুজিব বর্ষ। যা এবছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে । দিনটি জাতীয় শিশু দিবস হিসাবেও উদযাপিত হচ্ছে।
১৭ মার্চ দিনটি বাঙ্গালী জাতির কাছে একটি আনন্দের দিন। যে নেতার জন্ম না হলে হয়তো স্বাধীন বাংলাদেশ আমরা পেতাম না। হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনকেই তাই জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়।
শিশুদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসার কারনেই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ (১৯৯৬-২০০১) সালে প্রথমবারের মত সরকার গঠন করেই খ শ্রেণিভুক্ত করে ১৭ মার্চকে জাতীয় শিশু দিবস ঘোষণা করে। বর্তমানে দিনটিতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
২০২২ সালের জাতীয় শিশু দিবসের মূল প্রতিপাদ্য “বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের অঙ্গীকার, সকল শিশুর সমান অধিকার।”
দিবসটি উদযাপনের জন্য জীবন ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশু সমাবেশ ও আনন্দ র‌্যালি আয়োজন করা হয়।
সকালে একযোগে রাঙামাটি সদর উপজেলাধীন বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে এবং কাউখালী উপজেলাধীন বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যালে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে জীবন ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের সদস্যরা।
অতপর জেলা নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে কাউখালী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কোমলমতি শিশুদের নিয়ে প্রথমবারের মত শিশু সমাবেশের আয়োজন করে সংগঠনটি। এতে বিভিন্ন বয়সের অর্ধশতাধিক শিশুরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। শিশু কিশোরদের নিয়ে কাউখালী শহীদ মিনার কমপ্লেক্স থেকে উপজেলা মিলনায়তনের পাশে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যাল পর্যন্ত আনন্দ র‌্যালি করা হয়।
আয়োজনটির আহবায়ক শুভ মন্ডল জানান, রাঙামাটির প্রতিটি উপজেলার শিশুদের মাঝে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও জীবনধারা গুছিয়ে উপস্থাপন করতে প্রয়োজন ভিন্নধর্মী উদ্যোগ ও শিশুসুলভ বিষয়বস্তুর সহজলভ্যতা। ইতোমধ্যে জীবনের উদ্যোগে আমরা শিশুতোষ শিক্ষামূলক কিছু নতুন কনটেন্ট তৈরীতে নজর দিয়েছি। আমরা ভবিষ্যতে এই উদ্যোগকে আরো বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়ন করতে চাই।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীর আলোকে রচিত গ্রাফিক নভেল “মুজিব” শিশুদের জন্য সহজলভ্য করতে পার্বত্যাঞ্চলে জীবন ইয়ুথ ফাউন্ডেশন উদ্যোগ নিবে বলে জানান সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাজিদ-বিন-জাহিদ (মিকি)। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে শুধুমাত্র একজনই সুপারহিরো আছেন এবং তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আমরা বঙ্গবন্ধুকে শিশুদের কাছে একজন সুপারহিরো হিসেবেই উপস্থাপন করতে চাই সবসময়।