পাকুয়াখালী ট্র্যাজেডি স্মরণে পার্বত্য যুব ফ্রন্টের সমাবেশ

255

॥ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ॥

৯ সেপ্টেম্বর পাকুয়ালী ট্র্যাজেডি স্বরণে শনিবার এক শোক সমাবেশের আয়োজন করে পার্বত্য যুব ফ্রন্ট। সমাবেশ থেকে পাকুয়াখালী হত্যাকান্ডসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন সময়ে নিহত ৩০ হাজার বাঙ্গালীকে খুন অথবা খুনের হুকুমদাতা হিসেবে সন্তু লারমাকে দায়ী করে তার বিচার দাবি করা হয়। একই সাথে সন্তু লারমাকে পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ হতে অপসারণ করে মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় বিচারের দাবি জানানো হয়েছে।

শনিবার সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মোঃ শাহাদাৎ হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মোঃ শাহজাহান আলম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ সোলাইমান, প্রচার সম্পাদক মোঃ সোহেল, জেলা সহ-সভাপতি মাসুদ পারভেজ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

সভার শুরুতে ১৯ ৯৬ সালে একই দিনে শান্তিবাহিনীর হাতে নৃসংশভাবে হত্যার শিকার ৩৫ কাঠুরিয়া স্বরণে ১ মিনিট নিরবতা পালনের মাধ্যমে শোকসভা শুরু হয় এবং সভা শেষে অনুষ্ঠিত হয় দোয়া মাহফিল।

সভায় পার্বত্য যুব ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৯৯৬ সালে ৯ সেপ্টম্বর লংগদু ও বাঘাইছড়ি উপজেলার মধ্যবর্তী স্থান পাকুয়াখালীতে খুনী সন্তু লারমার নির্দেশে নিরীহ বাঙ্গালী ৩৫ কাঠুরিয়াকে ডেকে নিয়ে যেভাবে নির্মম হত্যাকান্ড সংগঠিত করেছে তা ১৯৭১ এর গণহত্যার চেয়ে কোন অংশে কম না। কিন্তু হত্যাকান্ডের স্বীকার অসহায় পরিবারগুলো আজও খুনির বিচার ও কোন প্রকার ক্ষতিপূরণ পায়নি। শুধু পাকুয়াখালী নয় পার্বত্য চট্টগ্রামে এই ধরনের হত্যাকান্ডের স্বীকার হয়েছে ৩০ হাজার নিরীহ পার্বত্যবাসী।

তাই মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত করে খুনি সন্তু লারমার বিচার করতে হবে। বক্তারা আরো বলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে দেশী-বিদেশী সকল ষড়যন্ত্রের হাতিয়ার হিসাবে কল্পিত জুমল্যান্ড করার লক্ষে খুনি সন্তু লারমা ব্যবহার হচ্ছে। তারই অংশ হিসাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি হওয়ার পরও সন্তু লারমার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ হয়নি। বরং হত্যা, গুম, অপহরণ, চাঁদাবাজি দিন দিন বেড়েই চলছে।