পাহাড়ের মানুষের মাঝে প্রবাহমান সরলতা আমার মন ছুঁয়ে যায়: নাহিদ ইজাহার খান এমপি

52

॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥

রাঙামাটি বিজ্ঞাপন ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সফরকালে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান বলেছেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি পাহাড়ি রাঙামাটি আমার অত্যন্ত প্রিয় স্থান। এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে প্রবাহমান সরলতা সবসময় আমার মন ছুঁয়ে যায়। এই এলাকায় প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ প্রতিষ্ঠা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, এটা বর্তমান সরকারের একটি উল্লেখযোগ্য সফলতা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, রাঙামাটি এলে যেন অবশ্যই আমি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করি এবং এখানকার শিক্ষার্থীদের খোঁজ খবর নেই। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অবস্থার কথা প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি অবহিত করবো।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বুধবার (৩ এপ্রিল) রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সফর করেন। এসময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এমপি এবং রাঙামাটির সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ জরতী তঞ্চঙ্গ্যা।

রাবিপ্রবি’র ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সেলিনা আখতার, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাঞ্চন চাকমা, রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইউসুফ, প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ড. নিখিল চাকমা, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ প্রতিমন্ত্রীসহ অতিথিবৃন্দকে সাদরে বরণ করেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এমপি নাহিদ ইজাহার খানসহ অতিথিরা।

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের দীপংকর তালুকদার একাডেমিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আপনারা যেভাবে ক্যাম্পাসের প্রতিটি জায়গায় আর দেয়ালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উক্তি আর ছবি রেখেছেন। এটাই হলো বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ। আপনাদের কাছে অনুরোধ করবো, বঙ্গবন্ধু উক্তি আর তাঁর আদর্শগুলোকে পালন করার চেষ্টা করবেন।

ভিসি তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় একটি বৈচিত্রময় জায়গায়। এখানকার নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীদের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি রয়েছে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নৃতাত্বিক গোষ্ঠীর উন্নয়নের জন্য এই রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় করেছেন। নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর উন্নয়নে আমরা প্রতিমন্ত্রীর কাছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র করার আবেদন করছি।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রাবিপ্রবি ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলোজি অনুষদের ডীন ও সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব ধীমান শর্মা। মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং শেষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন।