পাহাড় ধসের ভয়াবহতা থেকে রাঙামাটি রক্ষায় ডিসির বিরামহীন প্রচেষ্টা

381

॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥
বিগত ২০১৭ সালের ন্যায় যাতে করে এবছরও ভয়াবহ পাহাড় ধসের মতো ঘটনার শিকার না হতে হয় সেই লক্ষ্যে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির বাসিন্দাদের নিরাপদে রাখতে মাসব্যাপী সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। পাহাড় ধসে প্রাণহানি রোধে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সচেতনতা সৃষ্টিসহ ভারি বর্ষণে ঝুকিপুর্ণ স্থানে বসবাসরতরা যেন নিকটস্থ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করে সেই লক্ষ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে নানা কার্যক্রম শুরু করেছে রাঙামাটির জেলা প্রশাসন।

তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাঙামাটি শহরের প্রবেশমুখ রেডিও স্টেশন সংলগ্ন রূপনগর, শিমুলতলী, নতুন পাড়া, মনতলা, যুব উন্নয়ন এলাকাসহ চিহ্নিত আরো কিছু এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে সেসব এলাকাগুলোতে স্থানীয়দের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সাইনবোর্ড লাগানোর পাশাপাশি বাসিন্দাদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেছেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ। এসময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসলাম উদ্দিন, পল্লব হোম দাশ, ৬নং ওয়ার্ড কমিশনার রবি মোহন চাকমাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এসময় জেলা প্রশাসক পাহাড়ের পাদদেশে ঝুকিপুর্ণ স্থানগুলোতে বসবাসরত মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।

তিনি জানান, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার পরিকল্পনা হিসেবে যেসব কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। এর অংশ হিসেবে শহরের পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে প্রত্যেকটিতে সাইনবোর্ড লাগানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, অতি বর্ষণে ২০১৭ সনে এবং ২০১৯ সনে রাঙামাটিতে প্রাণ হানির ঘটনা ঘটেছে, আর যাতে না ঘটে সেই লক্ষ্যে বিগত একমাস ধরেই আমরা সে বিষয়ে তৎপরতা চালাচ্ছি।

জনগনকে সচেতন করার চেষ্ঠা চালাচ্ছি। আসন্ন দূর্যোগ মোকাবেলায় রাঙামাটি শহরে ২৬টি অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দুর্যোগ কমিটি প্রস্তুত রয়েছে। যাতে দুর্যোগের সময় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হতে বসবাসকারিকে দ্রুত নির্দিষ্ট্য অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার যায়। কেন্দ্রগুলোতে অবস্থানরত আশ্রিতাদের জন্য খাবার, চিকিৎসা, পানি সরবরাহের জন্য পৃথক পৃথক টিমও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।