বনরূপায় অটোরিক্সা স্টেশন উদ্বোধন করলেন পৌর মেয়র

453

p-2
॥ মোঃ হান্নান ॥

পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনী ওয়াদা পালনে আমি বদ্ধ পরিকর। মেয়াদ শেষে রাঙামাটি শহরকে দুষণ ও যানজটমুক্ত উন্নয়নের শহর হিসেবে উপহার দিতে চাই।

শনিবার জনগুরুত্বপুর্ণ বনরূপা এলাকাকে জনদূর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে নবনির্মিত অটোরিক্সা স্টেশন ও ট্রাফিক পুলিশ বক্স উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পৌরমেয়র একথা বলেন।
পৌরমেয়র বলেন, জনগণের কাছে দেয়া ওয়াদা পালনে আমি সচেষ্ট। মেয়াদ শেষে জনগণ যাতে আমার দোষ খুঁজতে না পারি সে চেষ্টায় করে যাচ্ছি। আমি রাঙামাটি শহরকে আগামী বিশ থেকে ত্রিশ বছর পর কেমন শহর গড়ে তুলতে পারি সে চিন্তায় করি। পর্যটনের শহর রুপসৌন্দর্য্যে ভরা থাকবে। সে লক্ষ্যে যতটুকু করার সবচেষ্টায় করে যাব।

তিনি পৌরবাসির প্রতি অনুরোধ করেন, সুশৃঙ্খল জনগণ শহরের সৌন্দর্য বাড়ায়, যানজটমুক্ত শহরের উন্নয়নে বড় ভুমিকা রাখে। তিনি আগামী সময়গুলোতে রাঙামাটির শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অটোরিক্সা স্টেশন স্থাপনের কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করে রাঙামাটি শহরকে যানজটমুক্ত করার ঘোষনা দেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দৈনিক গিরিদর্পন সম্পাদক একে এম মকছুদ আহমেদ, প্রবীন রাজনীতিবিদ রুহুল আমিন, প্যানেল মেয়র মোঃ জামাল উদ্দিন, ট্রাফিক পুলিশ ইনস্পেক্টর নীতি বিকাশ দত্ত, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সামশুল আলম, অটো রিক্সা চালক কল্যান সমিতির সভাপতি অলি আহমদ, বনরুপা ব্যবসায়ি কল্যাণ সমিতির সাধারন সম্পাদক তাপস দাশ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাউন্সিরল মিজানুর রহমান বাবু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পৌর কাউন্সিলর কালায়ন চাকমা।

প্রসঙ্গত, পর্যটন শহর রাঙামাটির ব্যস্ততম বনরূপা এরাকায় বিক্ষিপ্তভাবে অটোরিক্সা দাঁড় করিয়ে রাখায় ওই এলাকায় প্রায়ই যানজট লেগে যেতো। এতে জন দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছিল। বর্তমান মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর বনরূপাকে যানজটমুক্ত করতে নিজে উদ্যোগী হয়ে বন বিভাগের সাথে সমঝোতার মাধ্যমে কিছু জায়গা চেয়ে নেন। পরে রাঙামাটি পৌরসভার অর্থায়নে ওই জায়গায় আধুনিক কারিগরি কৌশলে অটোরিক্সা স্টেশন ও ট্রাফিক পুলিশ বক্স কাম যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়। এতে ব্যয় হয়েছে ২০ লক্ষ টাকা।