মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি-সম্পদের সুষম বন্টন: মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার আবুল হোসেন

486

স্টাফ রিপোর্ট- ১৯ জুলাই ২০১৭, দৈনিক রাঙামাটি (প্রেস বিজ্ঞপ্তি):  বেঙ্গল জাতীয় কংগ্রেস (বিজেসি) ও  জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এন.ডি.এ) সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিঃ আবুল হোসেন (আবু) এক ইমেইল বার্তায় বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি, সম্পদের সুষম বন্টন। কোথায় গেল ঐ সকল নীতিকথা? তারা কি কখনও ভেবে দেখেছেন দেশের শতকরা ৫৭% মানুষের ১৫/২০ হাজার টাকাও নগদে বা ব্যাংকে নাই তারা কিভাবে এ সমাজে তাদের দৈনন্দিন জীবন অতিবাহিত করছেন?

দেশের ৩৩ শতাংশ মানুষ হতদরিদ্র অর্থাৎ সর্বহারা শ্রেণী। ৩০ শতাংশ মানুষ নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত। প্রায় ২২ শতাংশ মানুষ মধ্যবিত্ত। অর্থাৎ দেশের ৮৫ শতাংশ মানুষের মধ্যে অন্ততঃ ৫৭ শতাংশ মানুষের ব্যাংকে কোন টাকা নাই। ১ লাখ টাকা জমানো তাদের পক্ষে খুবই কঠিন কাজ। যাদের ন্যূনতম ১ লাখ টাকা ব্যাংকে আছে তারা ১% টাকা গরীব মেহনতি মানুষের জন্য আবগারী শুল্ক হিসেবে খরচ করতে পারবেন না তাদের পক্ষে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার মত কথা মানায়না।

যাদের কোটি কোটি টাকা ব্যাংকে আছে তারা যদি ১% আবগারী শুল্ক দেন, ঐ টাকা যদি গরীব মেহনতি মানুষের সামাজিক নিরাপত্তাতে ব্যয় করা হয় সেক্ষেত্রে এ ব্যয় হবে জাতির জন্য মাইলফলক। জমাকৃত অস্থাবর সম্পত্তির ওপর শতকরা ২.৫% যাকাত দেয়ার ইসলামী বিধানকে আপনি উপেক্ষা করতে পারেননা। সম্পদের সুষম বন্টনের কথা বলবেন, সাধারণ জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তির কথা বলবেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠার কথা বলবেন অথচ এ খাতে কোন টাকা খরচ করবেন না, তা’কি হয়!

বিএনপি এক্ষেত্রে নিরব। কারণ যারা বিএনপি করেন তাদের ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা থেকেও আবগারী শুল্ক হিসেবে নির্ধারিত পরিমাণ টাকা কেটে নেয়া হবে। তারা এখন সাধারণ মেহনতি মানুষের কথা ভুলেই গিয়েছেন। মনে রাখতে হবে, ধনী-গরীবের ব্যবধান আকাশচুম্বী হলে একসময় এর বিস্ফোরণ ঘটবে, বিপ্লব সংঘটিত হবে; বহু মূল্যবান জীবন ঝরে যাবে, তারপর পরিবর্তন আসবে।

 পোস্ট করেন- শামীমুল আহসান, ঢাকা ব্যুরো প্রধান ।