‘মুনলাই’ প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে পাহাড়ি গ্রামীন মানুষের উন্নয়ন ঘটবে: বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি

335

DR MATI PIC -7

১২ ডিসেম্বর ২০২১, ঢাকা ব্যুরো অফিস, দৈনিক রাঙামাটি।

স্টাফ রিপোর্ট: গত ১১ ডিসেম্বর ২০২১, আন্তর্জাজিক পর্বত দিবস উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিয়ষক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ঢাকার বেইলি রোডের ‘শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স’ অডিটরিয়ামে ‘টেকসই পর্বত পর্যটন’ প্রতিপাদ্যের উপর এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিয়ষক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন। মন্ত্রী বলেন, দেশের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন ঘটাতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটনশিল্প উন্নয়নের স্বপ্ন দেখে ছিলেন। তাঁর সুযোগ্য কন্যা দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে শান্তিচুক্তি করে সে সপ্নের দুয়ার খুলে দিয়েছেন। শুধু পর্যটন পর্যটন করলে চলবে না। পিকনিক করতে আসলেই পর্যটন হবে না। পার্বত্য পার্বত্য চট্টগ্রামের সৌন্দর্য্য দেখার পাশাপাশি তা উপভোগও করতে হবে। পর্যটন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের বড় ক্ষেত্র। পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন করতে হলে স্থানীয়দের পর্যটন সেবা বুঝতে হবে। তাদের কেই পর্যটকদের তথ্য দিতে হবে কোথায় তারা পর্যটন করবেন। দিনের বেলায় পাহাড়ের সৌন্দর্য্য দেখলে পর্যটন শেষ হয় না। পাহাড়ে রাতের পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে কি অপরূপ তা পর্যটকদের দেখাতে হবে। পর্যটকরা যখন দেখবেন পূর্ণিমার চাঁদ তার পায়ের নিচ থেকে উঠছে তখনকার অনুভূতি তার মাধ্যমে অন্য পর্যটকদের মোহনীয় করবে।

মূখ্য আলোচক নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা এনডিসিসহ অন্যান্য আলোচকদের বক্তব্যের সূত্র ধরে মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ট্যুরিজম ব্রান্ড করতে ‘মুনলাই’ অবশ্যই বিবেচনায় আনতে হবে। ইকো ট্যুরিজম বিবেচনায় মূখ্য আলোচকের ‘মুনলাই’ প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে পাহাড়ি গ্রামীন মানুষের উন্নয়ন ঘটবে। এটা স্থানীয় বাসিন্দাদেরকেও বুঝতে হবে।

শান্তিচুক্তির আলোকে পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটশিল্প উন্নয়নের দায়িত্ব পার্বত্য জেলা পরিষদের হাতে ন্যাস্ত থাকলেও সমন্যায় হীনতার কারণে তারা পিছিয়ে আছে। মন্ত্রী পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের অন্যান্য সংস্থার সাথে সমন্যায় করে পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটশিল্প উন্নয়নের আহবান জানান।

অনুষ্ঠানের মূখ্য আলোচক ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব, নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা এনডিসি, আলোচক ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্বতন মন্ত্রণালয়ের সচিব, মো. মোস্তফা কামাল, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সন্তোষ কুমার দেব। বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ ল্লা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিয়ষক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মোসাম্মৎ হামিদা বেগম।

শামীমুল আহসান
ঢাকা ব্যুরো প্রধান, দৈনিক রাঙামাটি।