রাঙামাটিতে ‘ভূষণছড়া গণহত্যা দিবস’র শোকসভা ও দোয়া মাহফিল

234
ছবি- সংগ্রহিত
ছবি- সংগ্রহিত

স্টাফ রিপোর্ট- ৩১ মে ২০১৭, দৈনিক রাঙামাটি (প্রেস বিজ্ঞপ্তি):  আজ  রাঙামাটি জেলার বরকল উপজেলার ভূষণছড়া গণহত্যা দিবস। এখানে ইতিহাসের এক জগণ্যতম হত্যাকান্ড ঘটিছিল ১৯৮৪ সালের ৩১ মে দিবাগত রাতে।  ৩৮৪জন  নিরপরাধ, নির্দোষ, নিরস্ত্র নারী পুরুষ ও শিশুদের রাতের অন্ধকারে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান, সাবেক গেরিলা নেতা সন্তু লারমার নিদের্শে মেজর রাজেশ ওরফে মনিস্বপন দেওয়ান একদল জেএসএস সন্ত্রাসী নিয়ে এ ঘটনা ঘটান। তারই প্রতিবাদে অজ দুপুর ২টায় পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ে এক শোকসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি মুহাম্মদ ইব্রাহীম এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলন- রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মুন্না, বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলন- রাঙ্গামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কামাল, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মো: আবু বক্কর ছিদ্দিক, পৌর কমিটির সভাপতি কাজী মো: জালোয়া, সাধারণ সম্পাদক মো: শাহজাহান আলম, পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের জেলা সি: সহসভাপতি মো: নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আসাদুজ্জামান খাঁন, সহসভাপতি মো: বাদশা, যুগ্ম সম্পাদক এহসান উল্লাহ মুন্না, কলেজ সভাপতি মো: নজরুল ইসলাম, পৌর কমিটির আহবায়ক মো: আবছারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা বলেন, হত্যাকান্ডের ৩৩ বছর অতিবাহিত হলেও খুনিদের বিচার তো দুরের কথা বরং তাদের বিভিন্ন সময়ে পুরস্কৃত করা হয়েছে। বিএনপি খুনি মনিস্বপনকে (মেজর রাজেশ)কে মন্ত্রি বানিয়েছে। আর আওয়ামীলীগ খুনি সন্তু লারমাকে মন্ত্রী পদমর্যাদায় আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান বানিয়ে পার্বত্য বাঙ্গালীদের রক্তের সাথে বেইমানী করেছে। তারা এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার মানবতা ও স্বাধীনতা বিরোধীদের যেমনি বিচারের আওতায় এনে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে, আশা করি তেমনিভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩০হাজার বাঙ্গালীর খুনি সন্তু লারমাসহ অন্যান্য অপরাধীদেরকেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বিচার শুরু করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে নজির স্থাপন করবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম হতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা সময়ের দাবী, এসব অবৈধ অস্ত্র পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরীহ বাঙ্গালী ও উপজাতীয়দের বিরোদ্ধে ব্যবহার করে অপহরণ, খুন ও চাঁদাবাজি করছে জেএসএস ও ইউপিডিএফ এর সন্ত্রাসী বাহিনী।

পোস্ট করেন- শামীমুল আহসান, ঢাকা ব্যুরো প্রধান