রাঙামাটিতে শীতকালিন সবজির দাম কমলেও আলুর দাম কমেনি

104

॥ এম.নাজিম উদ্দিন ॥

রাঙামাটি জেলা শহরের বিভিন্ন হাট-বাজারে শীতকালিন শাকসবজির দাম কমলেও গোল আলু ও মরিচের দাম কমেনি। ব্যবসায়ীরা বলছেন গোল আলু ও কাঁচা মরিচ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আমদানী করতে হয়। এতে খরচ বেশি হওয়ায় আমরাও কিছু বেশি দামে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করি। অন্যান্য শীতকালিন সবজির দাম কমে যাওয়ায় স্বস্তিতে রয়েছে এলাকার খেটে খাওয়া মানুষগুলো।

মঙ্গলবার রাঙামাটি শরের বনরুপা বাজার,রিজার্ভ বাজার,তবলছড়ি বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে এ চিত্র। তবলছড়ি বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী মো.ফারুক জানান,শীতকালিন শাকসবজির আমদানী বেশি হওয়ায় গত দুই সপ্তাহের আগের চেয়ে বর্তমান অর্ধেক দাম কমেছে।

প্রকারভেদে বর্তমান বাজার দর রয়েছে ফুলকপি প্রতিকেজি ২০ টাকা, বেগুন ২৫ টাকা, শিম ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, বাধাকপি ২০ থেকে ২৫ টাকা, বটবটি ৩৫ টাকা, শসা ২০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, গাজর ৩০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছে।

অপর দিকে গত ৪ মাস আগে করোনা ভাইরাসের অজু হাত দেখিয়ে প্রতিকেজি গোল আলুর দাম বৃৃদ্ধি করে ৫০ থেকে ৬০ টাকা ও মরিচ ১০০ টাকায় বিক্রি করা হতো। গত ১ সপ্তাহে দাম কমে পুরাতন গোল আলু দাম বর্তমান ৪০ টাকা ও নতুন আলু ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাশাপাশি কাঁচা মরিচ বাজারে বর্তমান প্রতিকেজি ১০০ টাকা, পিয়াজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা, রসুন ১০০ টাকা, জিরা ৩৫০ টাকা, আদাঁ ১৩০ টাকা, শুকনো মরিচ প্রতি কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। যা আগের দামেই রয়েছে। রাকিব নামের একজন ক্রেতা বলেন, আদা, রসুন, পেঁয়াজ, শুকনো মরিচের দাম কমেনি।

শীতকালিন শাকসবজির আমদানী বেশি হওয়ায় দাম অনেক কমে গেছে। ফলে অল্প টাকায় অনেক কিছু পাওয়া যায়। জুয়েল নামের এক ভ্যান চালক জানান, বাজারের কাঁচা তরকারির দাম কম হওয়ায় অনেকটা স্বস্তি পেয়েছি।আমাদের পাহাড়ী এলাকায় অনেক শাকসবজির চাষাবাদ হয়েছে। যদি প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হয় বাজার দর স্বাভাবিক থাকবে বলে আমি আশা বাদি।