রাঙামাটি অটোরিক্সা চালক সমিতির দু’সদস্যের পরিবারে মৃত্যু ফান্ড বিতরণ

378

॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥

রাঙামাটি সিএনজি অটোরিক্সা চালক কল্যাণ সমিতি দুই জন সদস্যের পরিবারের মাঝে মৃত্যু ফান্ড বিতরণ করেছে সমিতি। রোববার সমিতির রিজার্ভ বাজার কার্যালয়ে প্রয়াত এই দুই পরিবারের সদস্য তথা চালকদের স্ত্রীদের হাতে মোট দুই লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক এ কে এম মকছুদ আহমেদ এবং রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক রাঙামাটি সম্পাদক আনোয়ার আল হক।

সমিতির সভাপতি পরেশ মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মৃত্যুদাবির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদুজ্জাম রোমান ও সমিতির নেতা হাসান মাহমুদ বাদশাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক রোমান জানান, সমিতির নিয়মানুযায়ী এই সমিতিভূক্ত কোনো সদস্যের জীবনাবসান হলে তার পরিবারকে সমিতির পক্ষ এক লক্ষ টাকা হারে এককালীন অনুদান প্রদান করা হয়। যাতে ওই পরিবারটি কারো কাছে হাত না পেতে কিছ করে জীবন চালাতে পারে। তিনি আরো জানান, চালকদের আয় সিমীত এবং সাধারণত টানাটানির মাঝেই তাদের সংসার চলে। আগে এই সমিতির কোনো সদস্য বা টেক্সী চালক মারা গেলে এর ওর কাছ থেকে চাঁদা তুলে তাদের সৎকারের ব্যবস্থা করা হতো। কিন্তু তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এ সংস্কৃতি থেকে চালক পরিবারগুলোকে রেহাই দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। এখন কোনো চালক মারা গেলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিবারকে মৃতের সৎকারের জন্য ১০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়। এতে পরিবারের সদস্যরা এই টাকা দিয়ে মর্যাদার সাথে তাদের দাফন-কাফন বা সৎকারের ব্যবস্থা করতে পারে। পরে অবশ্য এই টাকা মৃত্যুদাবি তহবিল থেকে সমন্বয় করা হয়।

রোববার প্রয়াত সিএনজি চালক নুরুল ইসলাম ও রবি আলমের পরিবারের মাঝে এই অনুদান বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে নুরুল ইসলাম (সদস্য নং ৪৪২/৩৪২) গত ১২ মে’১৮ ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর সময় তিনি দুই স্ত্রী রেখে যান। অনদানের এক লক্ষ টাকা প্রয়াতের দুই স্ত্রীর মাঝে সমান ভাগে ভাগ করে প্রদান করা হয়। এদের দু’জনের নামই হাছিনা বেগম। এ ছাড়া (সদস্য নং ৩১৮/২১৮) রবি আলমের মৃত্যু হয় গত ২১ মার্চ’১৮। তার পক্ষ থেকে তার স্ত্রী বানেছা বেগম এবং তার কন্যার হাতে এক লক্ষ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।

সমিতির নেতৃবৃন্দ জানান, সমিতির পক্ষ থেকে যাচাই বাছাই পূর্বক প্রকৃত ওয়ারিশদের হাতেই এই টাকা তুলে দেওয়া হয়।