সেন্ট ট্রিজার স্কুলের বিরুদ্ধে বাড়তি ফি নেয়ার অভিযোগ

366

॥ ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি ॥
রাঙামাটিতে একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সেন্ট ট্রিজার স্কুলের বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশনা না মেনে বাড়তি ফি আদায়ের অভিযোগ শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের। বুধবার সকালে স্কুলে প্রাঙ্গাণে এই অভিযোগ তুলেন অভিভাবকরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, গত ১৮ নভেম্বর মধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছিল এম.পি.ও ভুক্ত ও এম,পি.ও বিহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি গ্রহণ করবে কিন্তু এ্যাসাইনমেন্ট, টিফিন, পুনঃভর্তি, গ্রন্থাগার, বিজ্ঞানাগার, ম্যাগাজিন ও উন্নয়ন বাবদ কোন ফি গ্রহণ করনে না বা করা হলে তা ফেরত দেবে অথবা টিউশন ফি’র সঙ্গে সমন্বয় করবে। একই সঙ্গে কোন শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন যেন কোন কারনে ব্যাহত না হয় সে বিষয়টি সম্পর্কে সকলকে যত্নশীল হতেও বলা হয়েছে। কিন্তু সেন্ট ট্রিজার স্কুল কর্তৃপক্ষ সরকারি এই নির্দেশনা মানছে না বলে অভিযোগ অভিভাবকদের।

মো. জহির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, যেখানে বিদ্যালয় দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল সেখানে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ বিল, টেলিফোন বিল, উন্নয়নের নামে আমাদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা দাবি করছে। করোনায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি উল্টো বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদের উপর বাড়ড়ি টাকা চাপিয়ে দিচ্ছে। আমরা এর প্রতিকার চাই।

মো. নাছের উদ্দিন বলেন বিষয়টি নিয়ে যখন বিদ্যালয় প্রধানের সাথে কথা বলি, তিনি আবেদন দিতে বলেন। আমরা এর সুষ্ঠু সমাধান চাই। এবিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তারা এবিষয়ে কোন  দিতে রাজি হয়নি।
জেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা উত্তম খীসা জানান, সরকারি ও বে-সরকারি সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সরকার নির্দেশনা দিয়েছেন যেখানে টিউশন ফি ছাড়া আর কোন ফি নেওয়া যাবে না। তিনি আরও জানান, সেন্ট ট্রিজার স্কুলটিতে বাড়তি ফি নেওয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি আমরা দেখছি।
রাঙামাটির জেলা প্রশসক একেএম মামুনুর রশীদ বিষয়টি অবহিত হলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাক মো. মামুন দ্রুত বিষয়টি দেখার জন্য দায়িত্ব দেন।