আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে ধানের টিকিট চেয়েছেন ১২ বিএনপি নেতা

547

॥ ইকবাল হোসেন ॥
আসন্ন রাঙামাটি পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি থেকে ১৩ জন নেতা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন এবং জমা দিয়েছেন ১২ জন তারা হলেন, সাবেক মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো, সদর থানা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, পৌর বিএনপির সভাপতি শফিউল আজম, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়াম্যান প্রার্থী ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বাসেত অপু, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহফুজ উদ্দীন, জেলা যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিল, সাধারণ সম্পাদক আবু সাদাৎ মো. সায়েম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইউছুফ চৌধুরী, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী মিনারা আরশাদ, সাধারণ সম্পাদক শাহিদা বেগম, কেন্দ্রীয় ছাত্র দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম অঞ্চল) ও রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বির ও জেলা তাঁতীদলের সভাপতি মো. আনোয়ার আজিম।

সাইফুল ইসলাম চৌধুরী (ভুট্টো):
আসন্ন পৌর নিবার্চন নিয়ে রাঙামাটি পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- রাঙামাটি পৌরসভার ইতিহাসে ৪০ বছরে আমি প্রথম বিএনপি’র মেয়র ছিলাম। আর গত পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কর্তৃক ভোট ডাকাতির নির্বাচনে পুরো চট্টগ্রাম বিভাগে বিএনপির সকল প্রার্থীদের মধ্যে আমি সর্বোচ্চ ৮,৩০০ ভোট পেয়েছি। আমি আর ১ঘন্টা সময় পেলে হয়ত মেয়র হয়ে যেতাম।

ওরা যেভাবে কেন্দ্র দখল করে ভোট ডাকাতি করেছে তারপরও যতটুকু ভোট পেয়েছি তা পুরো চট্টগ্রাম বিভাগে বিএনপির সকল মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ। এবার যদি ধান আমাকে নমিনেশন দেয় তাহলে আমি অবশ্যই নির্বাচনে অংশ নিব। তবে বিএনপি যাকেই নমিনেশন দিবে আমি তার সাথেই কাজ করবো দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে যাব না।

এ্যাড. মামুনুর রশিদ মামুনঃ
এ বিষয়ে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. মামুনুর রশিদ মামুন’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ব্যক্তিগতভাবে আমার রাঙামাটি পৌরসভা নিয়ে স্বপ্ন আছে তাই দল যদি আমাকে নমিনেশন দেয় তাহলে আমি অবশ্যই নির্বাচনে অংশ নিব। আর আমার মতে যারা দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন তারা সবাই যোগ্য। তিনি আরো বলেন দল যদি অন্য কাউকে নমিনেশন দেয় তাহলে আমি তার পক্ষে কাজ করবো দলের বাহিরে যাব না।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি রাঙামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি, ছাত্রদলের মাঝেরবস্তি আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি, রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি, রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভিপি পদপ্রার্থী, রাঙামাটি শহর ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি, রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের (সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি), কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক, জেলা বিএনপির কার্যকরী সদস্য, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি, জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক, ২বার নির্বাচিত সদর উপজেলা বিএনপির সভপতি, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক।

এস.এম শফিউল আজমঃ
এবিষয়ে পৌর বিএনপির সভাপতি শফিউল আজম’র সাথে যোগাযোগ করার পর তিনি বলেন, আমি ২০১০ ও ২০১৬ সালে বিএনপি থেকে নমিনেশন চেয়েছিলাম তদ্রুপ এবারও আমি দলীয় মনোনয়ন চেয়েছি। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে অবশ্যই আমি নির্বাচনে অংশ নিব। আর দধ যাকেই নমিনেশন দিক আমি তার পক্ষে কাজ করবো দলের বাহিরে যাব না।

তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়- কাচালং কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে। এরপর বাঘাইছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি. জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নগর বিএনপির ২বার নির্বাচিত সভাপতি।

মাহবুবুল বাসেদ অপুঃ
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির সদর উপজেলার চেয়াম্যান প্রার্থী ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বাসেদ অপু’র সাথে এবিষয়ে আলাপকালে তিনি বলেন, পূর্বে আমি সদর উপজেলা নির্বচনে অংশ নিয়েছি। আসন্ন পৌর নির্বাচনে আমি দলীয় মনোনয়ন চেয়েছি। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি। আর দল যাকেই মনোনয়ন দিক না কেন আমি ধানের পক্ষেই কাজ করবো।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি ১৯৮৬ সালে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যোগ দেন, ১৯৯১ সালে জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি, পৌর বিএনপির ২বার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক।

মো. মাহফুজ উদ্দীনঃ
রাঙামাটি পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহফুজ উদ্দীন সাথে এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পূর্বে সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আমি দলীয় প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছি। আসন্ন রাঙামাটি পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে আমি দলীয় মনোনয়ন চেয়েছি। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি প্রস্তুত আছি। এক্ষেত্রে দল যে সিদ্ধান্ত নিবে আমি তা মেনে নিব এবং দল যাকেই মনোনয়ন দিবে আমি তার হয়ে কাজ করব।

রাজনৈতিক পরিচিতিঃ ১৯৯০ সালে শহীদ আব্দুল আলী একাডেমীতে অধ্যায়নরত অবস্থায় ছাত্রদলের স্কুল কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপির রাজনীতিতে যোগ দেন। এরপর ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায় সরকারের আমলে সদর থানা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক, ২০১০ সালে সদর থানা বিএনপির নির্বাচিত অর্থ-সম্পাদক, ২০১৫ সালে পৌর বিএনপির নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০২০ সালে পৌর বিএনপির নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন।

সাইফুল ইসলাম শাকিলঃ
আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থীতা বিষয়ে নেতা-কর্মীদের জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা রাঙামাটি জেলা বিএনপি থেকে নমিনেশনের অন্যতম দাবীদার জেলা যুবদলের পরপর দুইবার নির্বাচিত সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি গত নির্বাচনেও নমিনেশন চেয়েছিলাম কিন্তু কেন্দ্র সাবেক মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টে কে মনোনয়ন দেয়। আমরা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেলেও আওয়ামীলীগের ভোট ডাকাতীর ফলে ৮ হাজার ৩’শ ভোট পেয়েছি। যা আসলে কম নয় দুপুরের মধ্যেই আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা প্রায় সকল ভোটকেন্দ্র দখল করে ফেলে। তাই আমাদের অনেক ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়েও ভোট দিতে পারেনি। না হয় নির্বাচনে ধানের জয় নিশ্চিত ছিলো।

তিনি আরো বলেন এবারও আমি নমিনেশন চেয়েছি এবং আশাকরি এবার দল আমাকেই নমিনেশন দিবে। আর নমিনেশন পেলে আমি অবশ্যই নির্বাচনে অংশ নিব। তিনি এ ও বলেন দল যদি অন্য কাউকে নমিনেশন দেয় আমি তার পক্ষে কাজ করবো। দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে যাব না।

জেলা যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিল তৃণমূল পর্যায় থেকে বিএনপির রাজনীতি করে এসেছেন, তিনি পর ২বার জেলা যুবদলের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জেলা বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক পদেও আছেন। তিনি ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি, স্কুল কমিটির সভাপতি, কলেজ ও জেলা কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

আবু সাদাৎ মোঃ সায়েমঃ
তৃণমুল পর্যায়ে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা আরেক যুবদল নেতা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাদাৎ মো. সায়েমও আসন্ন পৌর নির্বাচনে নমিনেশন পাওয়ার যোগ্য দাবীদার। এবিষয়ে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- আসন্ন পৌর নির্বাচন উপলক্ষ্যে আমি বিএনপি থেকে মেয়র পদে নমিনেশন চেয়েছি। দল যদি আমাকে নমিনেশন দেয় আমি অবশ্যই নির্বাচন করবো। আর দল যাকেই নমিনেশন দিক না কেন আমি তার পক্ষে কাজ করবো। দলের বাহিরে কখনই যাব না।

তিনি তৃণমূল থেকে রাজনীতি করে বর্তমানে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন- তিনি ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি, স্কুল কমিটির সভাপতি, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম-সম্পাদক, রাঙামাটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি, জেলা ছাত্রদলের সিঃ যুগ্ম-সম্পাদক, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর বর্তমানে এ অবস্থানে আছেন।

মো. ইউছুফ চৌধুরীঃ রাঙামাটি জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইউছুফ চৌধুরীর সাথে এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি দীর্ঘদিন যাবৎ বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত আছি এবং হামলা মামলার শিকার হয়েছি। তাই আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য আমি দলীয় মনোনয়ন চেয়েছি। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় আমি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আছি। আর দল যাকেই মনোনয়ন দিবে আমি তার পক্ষে কাজ করব দলের বাহিরে যাব না।

রাজনৈতিক পরিচিতিঃ রাঙামাাটি জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইউছুফ চৌধুরী পূর্বে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৯৩ সালে যুবদলের রাজনীতির মাধ্যমে বিএনপির রাজনীতি শুরু করেন এরপর ১নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি, পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, জেলা যুবদলের সহ-প্রচার সম্পাদক ও পৌর যুবদলের সভাপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি ২০টির অধিক মামলার আসামী হয়েছেন এর পাশাপাশি বেশ কয়েকবার কারাবরণ ও করেছেন।

মিনারা বেগমঃ কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সদস্য ও রাঙামাটি জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী মিনারা বেগমের সাথে এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে রাঙামাটি পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য আমি প্রস্তুত আছি। আর দল যাকেই মনোনয়ন দিক না কেন আমি এবং জেলা মহিলা দল তার সাথে কাজ করব।

রাজনৈতিক জীবনঃ ১৯৮২ সালে মিনারা বেগম রাঙামাটি সরকারি কলেজে অধ্যায়নরত অবস্থায় কলেজ ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। এরপর ধাপে ধাপে তিনি পৌর মহিলা দলের আহ্বায়ক, জেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক হন বর্তমানে তিনি জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মহিলাদলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শাহিদা বেগমঃ রাঙামাটি জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শাহিদা বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দলের এই দূর-সময়ে দল যদি আমাকে সুযোগ দেয় তাহলে আমি পৌর বাসীর জন্য কিছু করতে পারব ভেবে আসন্ন পৌরসভি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য মনোনয়ন চেয়েছি। তাই দল যি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি প্রস্তুত আছি। আর দল যাকেই মনোনয়ন দিক না কেন আমি তার সাথে কাজ করবো এক্ষেত্রে দলের বাহিরে যাব না।

রাজনৈতিক পরিচিতিঃ ১৯৮৭ সালে রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে শাহিদা বেগম বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। এরপর ধাপে ধাপে তিনি জেলা মহিলা দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক, বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ফারুক আহমেদ সাব্বিরঃ
দলীয় মনোনয়ন বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম অঞ্চল) ও রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, রাঙামাটি পৌরসভায় বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠির বসবাস। সার্বিক দিক বিবেচনায় জাতিয়তাবাদী শক্তির উথান ও সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি বজায় রাখতে তরুণদের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান যাকেই মনোনয়ন দিবেন আমি এবং জেলা ছাত্রদল তার সাথে থাকব।

রাজনৈতিক পরিচিতিঃ ১৯৯৭ সালে ৭ম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত অবস্থায় ফারুক আহমেদ সাব্বির প্রথম রাজনৈতিক মামলার আসামী হন। এরপর ১৯৯৭ সালেই কাঁঠালতলী আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯৮ সালে ৭নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, ২০০৩ সালে পৌর ছাত্রদলের নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০০৬ সালে আবারো পৌর ছাত্রদলের নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০১০ সালে জেলা ছাত্রদলের নির্বাচিত সভাপতি, ২০১৮ সালে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি, ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম অঞ্চল)। ১৯৯৭ হতে ২০২০ সাল পর্যন্ত তিনি অর্ধ শতাধিক রাজনৈতিক মামলার আসামী হয়েছেন। রাঙামাটিতে কারাবরণের পাশাপাশি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তিনি ৭২দিন কারাগারে ছিলেন।

মো. আনোয়ার আজিমঃ এবিষয়ে রাঙামাটি জেলা তাঁতীদলের সভাপতি মো. আনোয়ার আজিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- সকলে যার যার যোগ্যতা অনুযায়ী দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছে। তদ্রুপ আমিও একটি ইউনিটের জেলার সভাপতি হিসেবে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছি। তাই দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় আমি প্রস্তুত আছি। আর দল যাকেই মনোনয়ন দিবে তার প্রতি আমার সমর্থন থাকবে।

রাজনৈতিক পরিচিতিঃ মো. আনোয়র আজিম ১৯৮৬ সালে বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত অবস্থায় স্কুল কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে বিএনপির রাজনীতিতে পথচলা শুরু করেন। এরপর ধাপে ধাপে ১৯৮৮ সালে বৃহত্তর ১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সদস্য সচিব, ১৯৯৭ সালে বৃহত্তর ১নং ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক, নগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক, নগর বিএনপির ২বার মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, পূর্ণাঙ্গ কমিটির গ্রাম বিষয়ক সম্পাদক, সহ-শিল্প বিষয়ক সম্পাদক, সদর উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি, জেলা তাঁতীদলের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক, নির্বাচিত সভাপতি। এছাড়াও তিনি ৩০টির কাছাকাছি রাজনৈতিক মামলার শিকার হয়েছেন।