॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥
কোভিড-১৯ মহামারী তে সরকারী নির্দেশনানুযায়ী জেলা প্রশাসন, পুলিশ বাহিনী, সেনাবাহিনী স্বাস্থ্য বিভাগ একযোগে করোনা মোকাবেলায় কাজ করে যাচ্ছে। তাদের সাথে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে সেচ্ছাসেবীরা, এই দূর্যোগকালীন সময়ে সেচ্ছাসেবীদের কাজগুলো চোখে পড়ার মতোই। রাঙামাটিতে অনেক সেচ্ছাসেবক কাজ করে যাচ্ছে, কেউ হয়তোবা কোন সংগঠনের মাধ্যমে করে যাচ্ছে আবার কেউ নিজে একাই কাজ করে যাচ্ছে।
সোমবার ৪নং ওয়ার্ডের পৌরসভার ত্রাণ বিতরণে ভিন্ন চিত্রের দেখা মিলেছে। নিজ উদ্যোগে ওমদা মিয়া হিল পৌর জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ে ত্রাণ নিতে আসা ত্রাণ গ্রহীতাদেরকে জীবাণুমুক্ত করণের লক্ষ্যে জীবাণুনাশক পানি দিয়ে স্প্রে করতে দেখা যায় তরুন স্বেচ্ছাসেবক মো. জহিরুল হাসান বিজয় কে।
মো. জহিরুল হাসান বিজয় বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইয়ুথ লিডারশীপ ফোরাম রাঙ্গামাটি জেলার প্রতিনিধি ও প্রতিক্ষণ ব্লাড রিজার্ভেশন অব বাংলাদেশ, রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি এবং ইয়ুথ মোস্তফা কামাল ফাউন্ডেশন এর সদস্য ।
এবিষয়ে মো. জহিরুল হাসান বিজয় প্রতিবেদককে বলেন, বর্তমান বিশ্বে মহামারী যে কঠিন পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে এখনি সেচ্ছাসেবকদের এগিয়ে আসার সময়। তাই আমি এই জীবাণুনাশক স্প্রে করার কাজটি করে যাচ্ছি। আগে স্প্রে মেশিন ধার করে আমি এই কাজ করতাম। আমার এই কার্যক্রমের বিষয়ে জানতে পেরে বৃহত্তর বনরুপা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমতির সভাপতি ও ইয়ুথের উপদেষ্টা মো. আবু সৈয়দ ভাই আমাকে একটি স্প্রে মেশিন উপহার দিয়েছেন। তাই আমি আরো ভালো ভাবে আমার এই কাজ করতে পারছি।
তিনি আরো বলেন, এর পাশাপাশি আমি বর্তমানে রাঙামাটির রক্তযোদ্বাদের আমার মোটরবাইক দিয়ে হাসপাতালে পৌঁছে দিচ্ছি এবং দূর্ঘটনাজনিত রোগীদের বাইকের মাধ্যমে এ্যাম্বুলেন্স সেবা দিয়ে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করতেছি। আমি ত্রাণ কার্যক্রমে সেচ্ছায় জীবাণুনাশক স্প্রে কার্যক্রম চালিয়ে যাবো।