॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকল্পের অধীনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর কর্তৃক একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) এর শিক্ষক বাতায়নে রাঙামাটি জেলার অ্যাম্বাসেডর নিযুক্ত হলেন, নানিয়ারচর উপজেলার বগাছড়ি পূর্ণবাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সোহেল রানা।
শিক্ষক সোহেল রানার বাবা সরকারী চাকরীজিবী মা আমেনা বেগম গৃহিনী। তিনি নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাট ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা। ছাত্রজীবনে তিনি সংস্কৃতি বিষয়ে কবিতা আবৃত্তি ও একক অভিনয় আন্তঃকলেজ প্রতিযোগিতায় কলেজ পর্যায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। এরপর তিনি ২০১৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সহকারী শিক্ষক হিসেবে বগাছড়ি পুনর্বাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন।
তিনি সবসময় তার কাজকে আপনমনে করতে পছন্দ করেন। তিনি শিক্ষককতা পেশার বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডিপিএড প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। ডিপিএড প্রশিক্ষণ চলাকালে এই গুনীশিক্ষক ২০১৮ সালে জেলা পর্যায় থেকে শুরু করে বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায় আন্তঃপিটিআই প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করন। তার এই অসামান্য অর্জনের জন্য রাঙামাটি পিটিআই এর উদ্দ্যোগে জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ শিক্ষক সোহেল রানাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।
এই গুনীশিক্ষককে নানিয়ারচর উপজেলা রিসোর্স ইন্সট্রাক্টর সারোয়ার কামালসহ দশ উপজেলার স রিসোর্স ইন্সট্রাক্টরগণ সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। করোনাকালীন সময়ে সোহেল রানা রাঙামাটি অনলাইন স্কুলে ক্লাস অব্যাহত রেখেছেন।
তিনি রাঙামাটি অনলাইন স্কুলের পাশাপাশি বিভিন্ন অনলাইন স্কুলে পাঠদান করেন।তার মধ্যে বাংলাদেশ অনলাইন প্রাইমারি স্কুল ও পানছড়ি অনলাইন প্রাইমারি স্কুল অন্যতম।
সোহেল রানা ২০২১ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারী এটুআই কর্তৃক রাঙামাটি জেলার আইসিটি অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত হন। তার এই অবদানের জন্য তিনি মা-বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতার পাশাপাশি যারা তার এই অ্যাম্বাসেডর হওয়ার পেছনে সহায়তা প্রদান করেছেন তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। এই প্রথম নানিয়ারচর উপজেলার ৭২টি বিদ্যালয়ের মধ্যে সোহেল রানা আইসিটি ট্রেনিং গ্রহন করে পুরো নানিয়ারচর উপজেলার মধ্যে আইসিটি অ্যাম্বাসেডর হলেন।
অ্যাম্বাসেডর নিযুক্ত হওয়ার পর অভিব্যক্তিকে শিক্ষক সোহেল রানা বলেন, আমি অনেক আনন্দিত, উচ্ছাসিত। মাহান রাব্বুল আলামিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি আরও বলেন, অভিজিৎ সাহা স্যার, আল ইমরান অভি স্যার, মো. ইকবাল স্যার, সামসুদ্দীন শিশির স্যার, মো. আকতার হোসেন কুতুবী স্যার, মো. রেজাউল হক স্যার, সরোয়ার কামাল স্যার, রফিক হাসান স্যার, ইমরানুল মানিক স্যার, মামুন রশিদ স্যার, মাহমুদ নাইস স্যার, কামরুর হাসান স্যার, শাহজাহান স্যার, প্রিয় স্ত্রী শিক্ষীকা মারুফা আক্তার এবং ছোট বোন আনিকা, তানি আপা, শহিদুর ইসলাম স্যারসহ আমার সহকর্মীরা যারা আমাকে অ্যাম্বাসেডর হওয়ার পিছরে পরিশ্রম করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।