পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার আংশিক কমিটি ঘোষণা

9

।। নিজস্ব প্রতিবেদক ।।

পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙামাটি জেলা শাখার আওতাধীন সকল ইউনিট কমিটি নিয়ে শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ১১টায় রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের হলরুমে জরুরি সভা-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পিসিসিপি রাঙামাটি পৌর শাখার সভাপতি পারভেজ মোশাররফ হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য মো. আরিয়ান রিয়াজ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিসিএনপি’র রাঙামাটি জেলা সভাপতি মোহাম্মদ সোলায়মান। প্রধান বক্তা ছিলেন পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন কায়েশ। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিসিএনপি’র রাঙামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম, মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোরশেদা আক্তার, পিসিএনপি রাঙামাটি জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির এবং পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা, পৌর ও কলেজ শাখার বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

সভায় যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার আংশিক কমিটি আগামী এক বছরের জন্য ঘোষণা করা হয়। নবঘোষিত ১৭ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটির সভাপতি হয়েছেন মো. তাজুল ইসলাম তাজ, সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশাররফ হোসেন।

পিসিসিপি কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন কায়েশ সভায় বলেন, আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সকল উপজেলা ও পৌর শাখার কমিটির তালিকা জেলা আংশিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তদের হাতে জমা দিতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য নেতৃত্বের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি গঠন করে এক মাসের মধ্যে অভিষেক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঘোষণা দেওয়া হবে।

আলোচনায় নেতৃবৃন্দ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় হলো সশস্ত্র সন্ত্রাস। দেশি-বিদেশি চক্রের প্রশ্রয়, উসকানি এবং সহযোগিতা সন্ত্রাসীদের আরও উৎসাহিত করছে, যা পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে বড় বাধা। তাই শান্তি ফিরিয়ে আনতে হলে পাহাড় থেকে সকল অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে এবং ষড়যন্ত্রকারীদের হস্তক্ষেপ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তারা আরও বলেন, সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দকে পাহাড়ের জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বহুমাত্রিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। বাঙালি-অবাঙালি সবার মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করে সমান মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে।