খাগড়াছড়িতে ৫৭ ধারায় মামলা

456

স্টাফ রিপোর্ট- ২২ জুলাই ২০১৭, দৈনিক রাঙামাটি (প্রেস বিজ্ঞপ্তি):  পার্বত্য চট্টগ্রামে জাতীগত সংঘাত সৃষ্টির লক্ষে ফেসবুকে উস্কানিমূলক পোস্ট দেয়ার কারণে ইমতিয়াজ মাহমুদ নামে এক আইনজীবির বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা হয়েছে। খাগড়াছড়ি সদর থানার ৫৭(২) ধারার এ মামলা নম্বর ১৭। গত ২১ জুলাই শুক্রবার বিকালে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার বাসিন্ধা সফিকুল ইসলাম খাগড়াছড়ি সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, সম্প্রিতি ইমতিয়াজ মাহমুদ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সা¤প্রদায়িক উস্কানিমূলক পোস্ট করেন। এতে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত উপজাতী-বাঙ্গালীদের  মধ্যে সা¤প্রদায়িক উস্কানি ছড়ানোর লক্ষ্যে তিনি এই পোস্টগুলো করেন। তিনি এর আগেও পার্বত্যাঞ্চলের বিভিন্ন ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করে এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে তার ফেসবুক আইডির মাধ্যমে উস্কানিমুলক পোস্ট প্রদান করে সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃস্টির চেস্টা করেছেন। এতে বাঙালিদেরকে হেয় করে ‘সেটলার’ হিসেবে অ্যাখ্যা দেয়া হয়েছে।

গত ৩০ জুন ২০১৭ ইং তারিখে রামগড়ের কালাডোবা নামক স্থানে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা নিরিহ বাঙ্গালিদের নিকট মারাত্মক অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে চাঁদা দাবী করলে স্থানীয় জনতা সমবেত হয়ে চাঁদাবাজদেরকে ধাওয়া করলে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীরা উপজাতীয় অধ্যুষিত এলাকায় পালিয়ে যায়।

কিন্তু উপজাতীয় সন্ত্রাসীদেও পক্ষে ইমতিয়াজ মাহমুদ উক্ত ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করে তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করলে উপজাতী ও বাঙ্গালিদের মধ্যে উত্তেজনা সৃস্টি হয়। এছাড়াও লংগদুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার ফেসবুক আইডিতে বাঙ্গালিদের বিরুদ্ধে উপজাতীয়দের উস্কে দেয়ার মত প্রচুর পোস্ট করে সা¤প্রতিক দাঙ্গা সৃস্টির চেস্টা করেন। ইমতিয়াজ মাহমুদ তার ফেসবুক পোস্টগুলো পার্বত্য চট্টগ্রামে সা¤প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর জন্য পূর্বপরিকল্পিত উল্লেখ করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতি বজায় রাখতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

পার্বত্যাঞ্চলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতি বজায় রাখার স্বার্থে, সা¤প্রদায়িক উস্কানিদাতা ইমতিয়াজ মাহমুদকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে শাস্থি নিশ্চিত করার জোর দাবী জানিয়েছে পার্বত্য বাঙ্গালি ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভুইয়া।

পোস্ট করেন- শামীমুল আহসান, ঢাকা ব্যুরো প্রধান