পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনতে হলে উপনিবেশিক আচরণ পরিহার করতে হবে

333
সেমিনারে বক্তব্য রাখছেন- রাঙামাটি জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল।

স্টাফরিপোর্ট- ২৬ জুন ২০১৮, দৈনিক রাঙামাটি:  আজ সকাল ১০টায় সিরডাপ মিলনায়তনে ‘‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতি অর্জনে প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়’’ র্শীষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও একনেকের গরুত্বপূর্ণ সভা থাকায় তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি।  বিষয়ের উপর মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন লেখক ড. নূহ-উল-আলম লেলিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সমন্বয়) মানিক লাল বনিক।
প্রধান অতিথির অনুপস্থিতিতে প্রাণবন্তহীন এ অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন, বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যা শৈহ্লা, রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, কর্নেল (অব) পরিমল বিকাশ চাকমা, রাঙামাটি জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল, বান্দরবান সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শানে আলম, এনজিও কর্মী এলিনা চাকমা, বান্দরবান জেলা পুলিশের এডিশনাল এসপি মোহাম্মদ আলী হোসেন প্রমূখ।
সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় শীর্ষক এ সেমিনারে বক্তারা সন্ত্রাসী কার্যক্রমের কারণ হিসেবে শান্তিচুক্তি অনুযায়ী দ্রæত ভূমি বিরোধ নিস্পত্তি, আঞ্চলিক আধিপাত্য, মাদক ও অস্ত্রের আন্তর্জাতিক চোরাচালান রুট নিয়ন্ত্রসহ স্থানীয় প্রশাসনের উপনিবেশিক আচরণকে চিহ্নিত করে দীর্ঘ আলোনা করেন।
সভা শেষে মূল প্রবন্ধকার ড. নূহ-উল-আলম লেলিন তার প্রবন্ধের টুকিটাকি সমালোচনার জবাব দেন। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জনগোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনতে হলে আইন-শৃঙ্খোলা রক্ষাকারী বাহিনীকে উপনিবেশিক আচরণ পরিহার করতে হবে। সমাপনি বক্তব্যদেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ওএম সিদ্দিকা খানম।

পোস্ট করেন- শামীমুল আহসান, ঢাকা ব্যুরো প্রধান।