॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥
২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবসে রাঙামাটিতে আলোচনা সভা ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) সন্ধা ৬ টায় রাঙামাটির পুরাতন বাস স্টেশন সংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি স্তম্ভে এ সভা ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির শুরুতেই শহীদদের স্মরণে ১মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রাঙামাটি জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাওয়াল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাজাহানের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ মুছা মাতবর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনসুর আলী।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাজী মুছা মাতবর বলেন, ২৫ মার্চ গণহত্যা ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে জগন্যতম গণহত্যা। জগন্যতম হত্যাকান্ড হিসেবে এটা ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে আছে। কিন্তু ইতিহাসের এ বর্বরোচিত গণহত্যা এখনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয়নি। এর জন্য পাকিস্তান ক্ষমাও চায়নি ৷ স্বাধীনতার এত বছর পার হলেও পাকিস্তান একাত্তরের নৃশংস, বর্বরোচিত গণহত্যার জন্য আজও দুঃখ প্রকাশ করেনি। মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন দেশ হিসেবে পাকিস্তানের কাছে যা পাওনা ছিল সেই পাওনা তারা বুঝিয়ে দেয়নি। স্বাধীনতার এত বছর পরও তারা তাদের নাগরিকদের আমাদের ওপর বোঝা করে রেখেছে, এদের এদেশ থেকে ফিরিয়ে নেয়নি। তিনি এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে ২৫ মার্চ গণহত্যার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি আদায়ে সরকারকে যথাযথভাবে প্রদক্ষেপ গ্রহন করার দাবি জানান।
এসময় জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি তোষণ চাকমা, রাঙামাটি জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামছুল আলম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি মোখলেছুর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুর করিম, শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব বড়–য়া টিপু, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইচ চেয়ারম্যান নাসরিন ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ চাকমাসহ সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




























