॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥
পাহাড়ে নারী শান্তি ও নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে পরামর্শ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উইমেন্স এডুকেশন ফর এডভান্সমেন্ট এন্ড এমপাওয়ারমেন্ট(উইভ) ও বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় স্থানীয় ২৩ জন নারী অংশ গ্রহণ করে তাদের মতামত তুলে ধরে।
ইউএন উইমেন এর সহায়তায় রাঙামাটিতে উইভ নারীর ক্ষমতায় সংক্রান্ত একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এই প্রকল্পের আওতায় গত ৯ জুন শহরের তারুম ডেভেল্পমেন্ট হলে দিনব্যাপী এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় ২০জন সরাসরি অংশগ্রহণকারী ৩জন আয়োজনকারী, প্রোগ্রাম ফ্যাসিলিটেটর ও সংগঠক উপস্থিত ছিলেন। ২০জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ৩জন ত্রিপুরা কমিউনিটি, ১২জন চাকমা, ৪জন মারমা এবং ১জন বাঙ্গালী। অংশগ্রহণকারীদের ক্যাটাগরি হচ্ছে- প্রথাগত প্রধান (পাড়া কার্বারী), ইউপি সদস্য, হেডম্যান, উন্নয়ন কর্মী, নারী উদ্যোক্তা, নারী যুব নেতা, উইমেন রিসোর্স নের্টওয়ার্ক সদস্য, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার প্রধান এবং প্রতিনিধিবৃন্দ। এছাড়াও বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ থেকে ২জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় উইভের নির্বাহী পরিচালক নাইউ প্রু মারমা মেরী স্বাগত বক্তব্য রাখেন, তিনি কর্মশালার উদ্দেশ্য উপর বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং ‘উইভ’ কার্যক্রম ও এর পটভুমি নিয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টশনের মাধ্যমে প্রকল্পের উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। এ সময় অংশগ্রহনকারীদের কাছ থেকে কর্মশালা বিষয়ের উপর প্রাক যাচাই ও প্রত্যাশা যাচাই করা হয়।
কর্মশালার মুল আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের সহকারী প্রকল্প সমন্বয়কারী মিজ সাজুতি ধর। তিনি তার আলোচনায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব ১৩২৫ কী, কেন এবং এর গুরুত্বপূর্ণ ও কখন এই প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল এবং এই প্রস্তাব বাস্তয়নের বাংলাদেশের অঙ্গিকার, সরকারি দায়িত্ব ও সিএসও দায়িত্ব বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।
পরে অংশগ্রহণকারীদের ৪টি দলে ভাগ করে ২টি কাজ দেয়া হয়, কাজগুলো হলো : (১) নারী শক্তি- আলোকে (অগ্রাধিকার ইস্যু, ঢ়িং স্তম্ব, গ্রহণযোগ্য কার্যক্রম/করণীয় পদক্ষেপ,দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, সময়সীমা এবং সাফল্যের সুচক) ও (২) জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ইস্যু চিহ্নিতকরণ এবং করণীয় নির্ধারণ (ইস্যু, চ্যালেঞ্জ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করণীয়)






























