॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥
রাঙামাটির স্থানীয় এনজিও উইভ (উইমেন এ্যাডুকেশন ফর এডভান্সমেন্ট) এর উদ্যোগে সদর উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ‘বাংলাদেশে নবায়িত নারীর কণ্ঠ ও নেতৃত্ব’ (আরডব্লিউভিএলবি) নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার এই প্রকল্পের সূচনা সভা তথা অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উইভ এর নির্বাহী পরিচালক ও রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য নাইউ প্রু মারমা। অনুষ্ঠানে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী সভায় প্রকল্প ব্যবস্থাপক ঝিমি দেওয়ান প্রকল্পের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং পরিধি বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিস্তারিত তুলে ধরেন। এ সময় জানানো হয় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) এর সাথে অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে এবং গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রান্তিক নারী, মেয়ে এবং লিঙ্গ-বৈচিত্রময় জনগোষ্ঠীর নারীর ক্ষমতায়ন কাজ করবে এই প্রকল্প। রাঙামাটি সদর উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের প্রায় দেড় হাজার নারীকে এই প্রকল্পের উদ্দীষ্ট জনগোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০২৬ সাল থেকে আগামী চার বছর এই প্রকল্প রাঙামাটি সদর উপজেলায় কাজ করবে।
উইমেন্স ভয়েস অ্যান্ড লিডারশিপ (ডব্লিউভিএল) হলো গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ, যা কানাডার নতুন নারীবাদী আন্তর্জাতিক সহায়তা নীতিকে সমর্থন করে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ সমতা এবং মানবাধিকার সুরক্ষার জন্য কর্মরত স্থানীয় নারী সংগঠনগুলোর চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ২০১৭ সালের জুন মাসে বিশ্বব্যাপী এই কর্মসূচিটি চালু করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের মার্চ মাস থেকে এমজেএফ বাংলাদেশে উইমেন্স ভয়েস অ্যান্ড লিডারশিপ (ডব্লিউভিএলবি) কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। এর আওতায় তৃণমূল পর্যায়ের নারী অধিকার সংগঠনগুলোকে তাদের সম্প্রদায়ের প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ নারী-মেয়েদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য অনুদান এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি সহায়তা প্রদান করা হয়। প্রকল্পের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে: (১) নির্বাচিত স্থানীয় নারী অধিকার সংস্থাগুলোকে বহু-বার্ষিক তহবিল প্রদান; (২) বহু-বার্ষিক তহবিলের জন্য নির্বাচিত নারী অধিকার সংস্থাগুলোর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সক্ষমতা বৃদ্ধি কার্যক্রম; (৩) নারী অধিকার সংস্থাগুলোর মধ্যে নেটওয়ার্ক এবং জোট শক্তিশালী করা; এবং, (৪) স্থানীয় নারী অধিকার সংস্থা এবং নেটওয়ার্কগুলোকে উদ্ভাবনী ধারণা ও সুযোগ পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করতে এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য বিচ্ছিন্ন কার্যক্রম সংগঠিত করতে স্বল্প ও স্বল্পমেয়াদী তহবিল প্রদান।





























