পার্বত্য চট্টগ্রামে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটিসমূহ নিয়ে সচেতন নাগরিক সমাজের যৌথ বিবৃতি

18
পার্বত্য চট্টগ্রামে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটিসমূহ নিয়ে সচেতন নাগরিক সমাজের যৌথ বিবৃতি

|| নিজস্ব প্রতিবেদক ||

​পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার কর্তৃক গঠিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি’, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক নির্বাহী কমিটি’ ও ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক পরামর্শক কমিটি’ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন নিয়ে সম্প্রতি ৫২ জনের একটি মহলের দেওয়া বিভ্রান্তিকর ও অসত্য বিবৃতির কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে সচেতন নাগরিক সমাজ। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

​যৌথ বিবৃতিতে সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা নিরসন, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সর্বস্তরের জনগোষ্ঠীর টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যেই সরকার সম্প্রতি এই উচ্চপর্যায়ের কমিটিগুলো গঠন করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যাকে বর্তমান সরকার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও রাজনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবেই বিবেচনা করে। বিগত দশকগুলোতে পাহাড়ে সার্বিক উন্নয়ন, মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং স্থায়ী শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতা ছিল, তা দূর করতেই এই গঠনমূলক প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

​বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়, পার্বত্য অঞ্চলের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিনিধিত্বকে সংকুচিত করার কোনো দূরভিসন্ধি সরকারের নেই। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে পাহাড়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অস্থিতিশীলতা রোধ এবং পাহাড়ি-বাঙালি সর্বস্তরের জনগোষ্ঠীর জীবনের নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব। ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে পার্বত্য তিনটি আসন থেকে প্রাপ্ত জনসংদেশের ওপর ভিত্তি করেই সরকার এই প্রশাসনিক সংস্কারে হাত দিয়েছে। সম্প্রতি ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জারি করা ৩টি প্রজ্ঞাপনের মূল উদ্দেশ্য হলো পাহাড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতি ঘটানো, গুম-খুন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ করা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় কমিটি ও অভিজ্ঞ কাঠামোর সহায়তা নেওয়া একটি সুসংহত প্রশাসনিক কৌশল, যাকে অহেতুক “সামরিকায়ন” বলে আখ্যায়িত করা বাস্তবতার অপলাপ মাত্র।

​বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পরামর্শক ও নির্বাহী কমিটি আগামী ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি, নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও প্রয়োজনীয় আইন সংস্কারের সুপারিশ পেশ করবে। এটি একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ। পাহাড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা ও আঞ্চলিক সশস্ত্র দলগুলোর চাঁদাবাজির প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তাকে কেবল ‘নিরাপত্তার চশমা’ হিসেবে না দেখে, প্রতিটি মানুষের জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা হিসেবে দেখা উচিত। তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা এই কমিটিগুলোকে ‘আমলাতান্ত্রিক ও কর্তৃত্ববাদী’ হিসেবে চিহ্নিত করে মূলত পাহাড়ে নৈরাজ্য ও স্থবিরতা জিইয়ে রাখার পুরোনো কৌশল অবলম্বন করছেন, যা স্থায়ী শান্তির পথে বড় বাধা।

​অতএব, বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পাহাড়ে পুনরায় অস্থিতিশীলতা তৈরি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সচেতন নাগরিক সমাজ আশা প্রকাশ করে যে, গঠিত এই কমিটিগুলোর মাধ্যমে স্বচ্ছতা, সামাজিক সম্প্রীতি ও সর্বস্তরের মানুষের মতামত বিবেচনার পথ সুগম হবে।

​যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী ১০০+ বিশিষ্ট নাগরিক ও প্রতিনিধিবৃন্দ:

​০১। ড. আসিফ মিজান, উপাচার্য, দারুসসালাম বিশ্ববিদ্যালয়, সোমালিয়া

০২। আবুল কালাম আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য, চেয়ারম্যান, ভাসানী পরিষদ

০৩। ড. গোলাম রহমান ভূঁইয়া, সাবেক ডেপুটি এটর্নী জেনারেল, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট

০৪। এডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, বিশিষ্ট আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী

০৫। প্রফেসর ড. মোঃ শরীফ আব্দুল্লাহ হিস সাকী, সাবেক রেজিস্ট্রার ইউসেট ইউনিভার্সিটি

০৬। লে: কর্নেল (অব:) খন্দকার ফরিদুল আকবর, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক

০৭। বিগ্রেডিয়ার জেনারেল হাসিনুর রহমান, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক

০৮। প্রফেসর ড. মোঃ আবু তৈয়ব চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান, মার্কেটিং বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

০৯। প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুছ, সাবেক চেয়ারম্যান, আরবী বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

১০। মোহাম্মদ আবদুল বাসেত, রাজনীতিবীদ ও সাবেক ডেপুটি এটর্নী জেনারেল, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট

১১। প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী হোছাইন, চেয়ারম্যান, কোরআনিক সাইন্স বিভাগ, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়

১২। এডভোকেট পারভেজ তালুকদার, চেয়ারম্যান, জাতীয় লিগ্যাল এইড কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ

১৩। এডভোকেট আবদুল আউয়াল খান, বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী

১৪। আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজকর্মী ও রাজনীতিবীদ

১৫। অধ্যাপক হারুন উর রশিদ, বিশিষ্ট কলামিষ্ট ও political বিশ্লেষক

১৬। এস এম জহিরুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, রুলার জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন

১৭। ক্যাপ্টেন রেদওয়ান সিকদার, লেখক ও গবেষক

১৮। মোক্তার আহাম্মদ, চেয়ারম্যান, ইসলামিক সেন্টার, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা

১৯। ব্যারিষ্টার ইলিয়াছুর রহমান, বিশিষ্ট আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট

২০। অধ্যক্ষ নুরুল আলম, শিক্ষাবিদ

২১। ফয়েজ আহমেদ, বিশিষ্ট রাজনীতিবীদ

২২। মাহাবুবুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

২৩। মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক, চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ

২৪। মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক, চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ

২৫। মোহাম্মদ আখতার হোসাইন, সহকারী অধ্যাপক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

২৬। ড. মোহাম্মদ মুহিব উল্লাহ, অধ্যাপক, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়

২৭। মেজর মাসুদুর রহমান, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক

২৮। মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, লেখক ও সাংবাদিক

২৯। কামাল পারভেজ, কবি, সাংবাদিক ও কলামিস্ট

৩০। ব্যারিষ্টার মোঃ আনোয়ার হোসেন, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট

৩১। এডভোকেট আবু জাফর, সাধারণ সম্পাদক, বান্দরবান জেলা আইনজীবী সমিতি

৩২। মোঃ আতিকুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক, সাউদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়

৩৩। ডা. মোঃ তারিকুল ইসলাম, মুখপাত্র খাদেমুল কুরআন

৩৪। শেখ আহমেদ রাজু, সিনিয়র সিটিজেন ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী

৩৫। রেজাউল করিম মাষ্টার, পার্বত্য গবেষক ও সাবেক প্রধান শিক্ষক তাইন্দং উচ্চ বিদ্যালয়

৩৬। হযরত শাহ সুফি আবদুল হান্নান আল হাদী, সভাপতি, মুসলিম বুদ্ধিজীবী ফ্রন্ট

৩৭। লায়ন মোঃ আজম খান, চেয়ারম্যান, হিউম্যান রাইটস এক্টিভিটিস ফাউন্ডেশন

৩৮। মুফতি আবদুল মান্নান, ইসলামিক স্কলার

৩৯। নাজিমউদ্দিন চৌধুরী এ্যালেন, সাংবাদিক ও উন্নয়ন কর্মী

৪০। প্রভাষক মু. শাহজাহান সাজু, লেখক ও গবেষক

৪১। আবদুল কুদ্দুছ, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, বান্দরবান পার্বত্য জেলা

৪২। মাওলানা শরীয়ত উল্লাহ, আমির, হেফাজতে ইসলাম, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা

৪৩। মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক, পার্বত্য চট্টগ্রাম উলামা পরিষদ

৪৪। মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, সভাপতি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা

৪৫। মুফতি মুহাম্মদ আবুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা

৪৬। এবিএম মুজাহিদুল ইসলাম বাতেন, লেকচারার, হাজী আবুল কালাম কলেজ, নাইক্ষ্যংছড়ি

৪৭। মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, লেকচারার, হাটহাজারী কলেজ

৪৮। ইঞ্জিনিয়ার শাহাদাৎ ফরাজী সাকিব, প্রধান সংগঠক, মাতৃভূমি সুরক্ষা আন্দোলন

৪৯। সালমা আহমেদ মৌ, নারী নেত্রী

৫০। মুহাম্মদ জিয়াউল হক, আহ্বায়ক, স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি

৫১। ফুয়াদ সাকি, আহবায়ক, বাংলাদেশ মঞ্চ

৫২। মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান সবুজ, সদস্য সচিব, নিরাপদ বাংলাদেশ চাই আন্দোলন

৫৩। মুহাম্মদ ফাইজুল্লাহ ফয়েজ, মুখপাত্র, নিরাপদ শহর আন্দোলন

৫৪। মোহাম্মদ নুর হোসেন, যুব সংগঠক, পার্বত্য চট্টগ্রাম

৫৫। মুজ্জামেল হক মিয়াজি, সভাপতি, বিপ্লবী জনজোট মঞ্চ

৫৬। মোরশেদা আক্তার, নারী নেত্রী

৫৭। শাহরিয়ার হাসান, লেখক ও সাংবাদিক

৫৮। মাজাহারুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক

৫৯। হাবীব আজম, সভাপতি, পার্বত্য জ্ঞান অন্বেষণ পাঠাগার

৬০। আয়াজ আহম্মেদ সানি, সিনিয়র সাংবাদিক

৬১। টিটু বড়ুয়া সুরঞ্জিত, লেখক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট

৬২। মোস্তফা আল ইহযায, সভাপতি, সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ

৬৩। মোঃ আলমগীর হোসেন, লেখক ও গবেষক, পার্বত্য চট্টগ্রাম

৬৪। হাবিবুর রহমান, সাবেক মেয়র, রাঙ্গামাটি পৌরসভা

৬৫। আসিফ ইকবাল, পরিচালক, শহীদ আবু সাঈদ পাঠাগার

৬৬। কামাল হোসেন, সমন্বয়ক, পার্বত্য চট্টগ্রাম সম অধিকার আন্দোলন

৬৭। মনসুর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা

৬৮। এডভোকেট কামাল উদ্দিন সুজন, নির্বাহী পরিচালক, ডায়ালগ ফর পিচ (সিএইচটি)

৬৯। মুফতি ইবরাহীম আনোয়ারী, ইসলামিক স্কলার

৭০। নান্টু লাল দাস, সম্পাদক, দৈনিক নতুন আলো প্রতিদিন

৭১। ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, সমাজসেবক ও মানবাধিকার কর্মী

৭২। এডভোকেট রাইসুল কবির, বিশিষ্ট আইনজীবী

৭৩। এডভোকেট আফসার উদ্দিন, বিশিষ্ট আইনজীবী

৭৪। এডভোকেট বেদারুল ইসলাম, বিশিষ্ট আইনজীবী

৭৫। এডভোকেট আফসার রনি, বিশিষ্ট আইনজীবী

৭৬। দিদারুল আলম, সিনিয়র সাংবাদিক

৭৭। মাওলানা এহসানুল হক আল মুঈন, সভাপতি, আইম্মা উলামা পরিষদ

৭৮। পেয়ার আহমেদ খান, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা

৭৯। এম রুহুল আমিন, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী

৮০। মোজাম্মেল হক লিটন, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক

৮১। মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য

৮২। মোহাম্মদ আমিন উল্লাহ, অধ্যক্ষ, আল-ফারুক ইনস্টিটিউট

৮৩। মোহাম্মদ কামরুজ্জমান, লেখক, সাংবাদিক ও কলামিষ্ট

৮৪। আবদুল মজিদ, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সাবেক জনপ্রতিনিধি

৮৫। আবদুল কাইয়ুম, সমাজ সেবক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান

৮৬। শাহাদাত হোসেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও জনপ্রতিনিধি

৮৭। সোহেল রিগ্যান, লেখক ও ব্লগার

৮৮। এম এ আমিন, লেখক ও গবেষক

৮৯। মোঃ শাহাদাৎ হোসেন কায়েশ, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি, মানবাধিকার সংগঠন

৯০। মুন্না তালুকদার, চেয়ারম্যান, স্বপ্নবুনন সংস্থা

৯১। মাসুদ রানা রুবেল, পরিচালক, সামাজিক সংগঠন হিল সার্ভিস

৯২। মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, গবেষক ও বিশ্লেষক

৯৩। নাছির উদ্দিন, এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন

৯৪। ইকবাল হোসেন, পরিচালক, ইয়ুথ, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা

৯৫। পারভেজ শেখ, মানবাধিকার কর্মী

৯৬। মোঃ সাইমন ইসলাম, সমন্বয়ক, বিডি ক্লিন, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা

৯৭। অরূপ কুমার মুৎসুদ্দী, সভাপতি, ওয়ার্ল্ড পিস এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা

৯৮। আহমেদ ইসতিয়াক আজাদ, কেন্দ্রীয় সদস্য ও মনিটর, স্বপ্নযাত্রী ফাউন্ডেশন

৯৯। মোঃ সাইদুল ইসলাম, সভাপতি, ব্লাড ব্যাংক, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা

১০০। মোঃ হুমায়ুন কবির, সভাপতি, রিপোটার্স ক্লাব, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা

১০১। শাব্বির আহম্মেদ, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা

১০২। কাজী মোঃ মজিবর রহমান, চেয়ারম্যান, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ